Skip to main content

আমি_কিংবদন্তির_কথা_বলছি

##লেখক_পরিচিতি##
*নাম: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
*জন্ম: ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি
*জন্মস্থান: বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত বহেরচর- ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে
*পড়াশোনা: ইংরেজি সাহিত্যে বিএ এমএ
*কাব্য সংকলন: সাত নরীর হার, কখনো রং কখনো সুর, কমলের চোখ, আমি কিংবদন্তির কথা বলছি, বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা, আমার সময়
পুরস্কার: বাংলা একাডেমী পুরস্কার(১৯৭৯), একুশে পদক
*মৃত্যু: ২০০১ সালের ১৯ মার্চ
*কর্মজীবন: ১) সিভিল সার্ভিসে যোগদান
২) ১৯৮২ তে কৃষি ও পানি সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী
৩) ১৯৮৪ তে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত
##কবিতার_উৎস##
* কবিতাটি "আমি কিংবদন্তির কথা বলছি" কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতা
*রচনাটির বিষয় ও আঙ্গিকগত - অভিনবত্ব রয়েছে
*ছন্দ-গদ্য
*কবিতায় আলোচ্য - ঐতিহ্য সচেতন শিকড় সন্ধানী মানুষের সর্বাঙ্গীণ মুক্তির দৃপ্ত ঘোষণা
*রচনা প্রেক্ষাপট- বাঙালি সংস্কৃতির হাজার বছরের ইতিহাস
*কবিতার রসোপলব্ধির অবিচ্ছেদ্য অংশ- আঙ্গিক বিবেচনা
*"কিংবদন্তি" শব্দবন্ধটি- ঐতিহ্যের প্রতীক
*চিত্রকল্প নির্মাণের শর্ত- অভিনবত্ব
##সংখ্যাবাচক_তথ্য##
*মোট লাইন-৬৮
*কবিতা শব্দটি-১৮ বার
*আমি কিংবদন্তির কথা বলছি শব্দটি- ২ বার
*যে কবিতা শুনতে জানে না শব্দটি- ৯ বার
*আমি আমার পূর্ব পুরুষের কথা বলছি- ৩ বার
* আমি শব্দটি-১৪ বার
*রক্তজবা শব্দটি- ৩ বার
*কথা শব্দটি-২৩ বার
*ক্রীতদাস শব্দটি- ২ বার
##গুরুত্বপূর্ণ_তথ্য##
*পূর্বপুরুষদের করতলে ছিল- পলিমাটির সৌরভ
* পূর্বপুরুষদের পিঠে ক্ষত- রক্তজবার মতো
* কবির পূর্বপুরুষ- ক্রীতদাস
*জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ- কবিতা
* কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্য দানা- কবিতা
* পূর্বপুরুষরা যেসব পাহাড়ের বলতেন- অতিক্রান্ত পাহাড়
* পূর্বপুরুষরা আবাদের কথা বলতেন- পতিত জমি
*কবিতা শুনতে না জানলে- দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে
*কবির স্বপ্ন- উচ্চারিত শব্দের মতো
*কবিতার উল্লিখিত জানালাটি- উনোনের আগুনে আলোকিত উজ্জ্বল
*যে সাতার জানে না তাকে ভাসিয়ে রাখে- প্রবহমান নদী
*প্রবহমান নদীর কথা বলতেন- কবির মা
*কবির স্নেহ- বিচলিত
*ভালবাসা দিলে- মা মরে যায়
*শস্যের সম্ভার তাকে সমৃদ্ধ করে- যে কর্ষণ করে
*প্রবহমান নদী তাকে পুরস্কৃত করে- যে মৎস্য লালন করে
*জননী আশীর্বাদ দীর্ঘায়ু করে- যে গাভীর সেবা করে
*সশস্ত্র সুন্দরের অনির্বায অভ্যুত্থান - কবিতা
* সুপুরুষ ভালোবাসার সুকণ্ঠ সংগীত- কবিতা
*রক্তজবার মতো প্রতিরোধের উচ্চারণ- কবিতা

Comments

Popular posts from this blog

প্রতিবেদন লেখার নিয়ম

একটি সার্থক প্রতিবেদনের ০৬ টি অংশ হতে পারে । #প্রতিবেদনের শুরুতে সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন পরিচিতি থাকবে । #দ্বিতীয় প্যারাতে কল্পিত একটা দ্বিতীয় প্যারাতে কল্পিত একটা স্মারক নম্বর ব্যাবহার করা যেতে পারে এবং প্রতিবেদন রচনার কারণ ব্যাখ্যা করা যেতে পারে ।। #তৃতীয় প্যারাতে ঘটনার বিবরণ থাকবে । #চতুর্থ প্যারাতে ঘটনার কারণ উল্লেখ থাকবে । #পঞ্চম প্যারাতে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরণের ঘটনা আর না ঘটে সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ থাকবে । #ষষ্ঠ প্যারাতে প্রতিবেদক কী কী উপাত্ত ব্যাবহার করেছেন সে বিষয়ে একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি থাকবে , অর্থাত্ তথ্যসূত্র যুক্ত থাকবে । এই ধারাবাহিকতায় প্রতিবেদন রচনা করা গেলে একজন পরীক্ষক পরীক্ষার্থীকে ভালো নম্বর প্রদানে বাধ্য হবেন । পরীক্ষার উত্তরপত্রে একজন পরীক্ষক এ ধরনের প্রতিবেদন আশা করে ধরনের প্রতিবেদন আশা করে থাকেন । . নমুনা প্রতিবেদন :০১ . পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ'- এই শিরোনামে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বরাবর একটি প্রতিবেদন লেখো। . উত্তরঃ বরাবর সচিব মহোদয় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা। বিষয় : পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুর...

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:: ৬ষ্ট অধ্যায়

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ````````````````````````` '''''''''''''''''''''''' * ডাটাবেজ কি বা কাকে বলে? উত্তর: পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত কতগুলো ডাটার সমষ্টিকে Database বলে। . → DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System. . → RDBMS এর পূর্ণরূপ - Relational Database Management System. . ** DBMS কি বা কাকে বলে? উত্তর: DBMS হলো একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার। DBMS এর পূর্ণরূপ ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। DBMS দ্বারা ডাটাবেজ তৈরি করা, ডাটাবেজ পরিবর্তন করা, সংরক্ষণ করা, পরিচালনা করা, নিয়ন্ত্রণ করার কাজ করা সম্ভব। . ** ফিল্ড (Field) কি? উত্তর: রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশকে Field বলে। . * রেকর্ড (Record) কি? উত্তর: কতগুলো Field এর সমষ্টিকে রেকর্ড বলে। . ** ডাটাবেজের সুবিধা বা বৈশিষ্ট্য : → ডাটাবেজকে Assendung ও Decending করা যায়। → ডাটাবেজকে সর্টিং ও ইনডেক্সিং ভাবে সাজানো যায়। → সকল তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা যায়। → ডেটা নিরাপত্তা প্রদান করা সম্ভব। → কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা নিয়ন্ত্রণ কর...

মাসি পিসি

লেখক পরিচিতি নাম: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জন্ম:১৯০৮ সালের ১৯ মে জন্মস্থল : বিহারের সাওতাল পরগনার দুমকায় পৈতৃক নিবাস: ঢাকার বিক্রমপুরে পিতা : হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় মাতা: নীরদাসুন্দরী দেবী পিতৃপ্রদত্ত নাম: প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকনাম : মানিক চাকরিজীবন -৩ বছর প্রথম প্রকাশিত গল্প : অতসীমামী(১৯৩৫) প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস:জননী(১৯৩৫) উপন্যাস: জননী,দিবারাত্রির কাব্য, পদ্মানদীর মাঝি, পুতুলনাচের ইতিকথা,চিহ্ন ছোটগল্প: প্রাগৈতিহাসিক,সরীসৃপ,সমুদ্রের স্বাদ, টিকটিকি,হলুদ পোড়া, আজ কাল পরশুর গল্প, হারানের নাতজামাই মোট ৪০ টি উপন্যাস ও ৩০০ ছোটগল্প সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু : ১৯৫৬ সালের ৩ রা ডিসেম্বর মৃত্যুস্হল : কলকাতা রচনার উৎস *প্রথম প্রকাশিত হয় কলকাতার পূর্বাশা পত্রিকার ১৩৫২ বঙ্গাব্দের চৈত্র সংখ্যায়( ১৯৪৬ মার্চ -এপ্রিল) *দ্বিতীয় সংকলন পরিস্হিতি গল্পগ্রন্থ (১৯৪৬ অক্টোবর * বর্তমান পাঠ গ্রহন ঐতিহ্য প্রকাশিত মানিক - রচনাবলী পঞ্চম খন্ড থেকে * স্বামীর নির্মম অত্যাচারের শিকার পিতৃমাতৃহীন এক তরুণীর করুণ জীবনকাহিনী সংখ্যাবাচক তথ্য *সালতি দিয়ে তিনজনের মাথায় চড়ে খড় জমা হচ্ছে গাদায় *সাল...