Skip to main content

প্রকৃতি ও প্রত্যয়

প্রকৃতি ও প্রত্যয় ব্যাকরণের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।তবে প্রকৃতি ও প্রত্যয় আলোচনার পূর্বে আমাদের কতগুলো বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা দরকার।

সমস্ত শব্দ বা পদকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:- যথা,
● মূল শব্দ বা প্রাতিপাদিক।
● সাধিত শব্দ।









প্রাতিপাদিক :-
#বিভক্তিহীন নাম পদকে প্রাতিপাদিক বলে।
যেমনঃ ফুল, কলম, বই।


সাধিত শব্দ:-
#মৌলিক শব্দ ব্যতিত অন্য সকল শব্দকেই সাধিত শব্দ বলে।
যেমনঃ হাতা, ফুলেল।

সাধিত শব্দ আবার দুই প্রকার :- যথা,
● নাম পদ/শব্দ।
● ক্রিয়া পদ/শব্দ।

প্রত্যেক সাধিত শব্দের (নাম শব্দ ও ক্রিয়া) দুটি অংশ থাকে।যথা,
● প্রকৃতি।
● প্রত্যয়।

নিম্নে প্রকৃতি ও প্রত্যয় নিয়ে আলোচনা করা হলো।
প্রকৃতি;:-
কোন শব্দের যে অংককে বা যে শব্দকে আর কোন ক্ষুদ্রতম অংশে ভাগ করা যায় না তাকে প্রকৃতি বলা হয়।

প্রত্যয়::-
প্রত্যয় নতুন শব্দ তৈরি করার একটি পদ্ধতি।প্রত্যয় কখনো ধাতু আবার কখনো নাম প্রকৃতি বা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে।
অর্থাৎ, আমরা বলতে

Comments

Popular posts from this blog

মাসি পিসি

লেখক পরিচিতি নাম: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জন্ম:১৯০৮ সালের ১৯ মে জন্মস্থল : বিহারের সাওতাল পরগনার দুমকায় পৈতৃক নিবাস: ঢাকার বিক্রমপুরে পিতা : হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় মাতা: নীরদাসুন্দরী দেবী পিতৃপ্রদত্ত নাম: প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকনাম : মানিক চাকরিজীবন -৩ বছর প্রথম প্রকাশিত গল্প : অতসীমামী(১৯৩৫) প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস:জননী(১৯৩৫) উপন্যাস: জননী,দিবারাত্রির কাব্য, পদ্মানদীর মাঝি, পুতুলনাচের ইতিকথা,চিহ্ন ছোটগল্প: প্রাগৈতিহাসিক,সরীসৃপ,সমুদ্রের স্বাদ, টিকটিকি,হলুদ পোড়া, আজ কাল পরশুর গল্প, হারানের নাতজামাই মোট ৪০ টি উপন্যাস ও ৩০০ ছোটগল্প সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু : ১৯৫৬ সালের ৩ রা ডিসেম্বর মৃত্যুস্হল : কলকাতা রচনার উৎস *প্রথম প্রকাশিত হয় কলকাতার পূর্বাশা পত্রিকার ১৩৫২ বঙ্গাব্দের চৈত্র সংখ্যায়( ১৯৪৬ মার্চ -এপ্রিল) *দ্বিতীয় সংকলন পরিস্হিতি গল্পগ্রন্থ (১৯৪৬ অক্টোবর * বর্তমান পাঠ গ্রহন ঐতিহ্য প্রকাশিত মানিক - রচনাবলী পঞ্চম খন্ড থেকে * স্বামীর নির্মম অত্যাচারের শিকার পিতৃমাতৃহীন এক তরুণীর করুণ জীবনকাহিনী সংখ্যাবাচক তথ্য *সালতি দিয়ে তিনজনের মাথায় চড়ে খড় জমা হচ্ছে গাদায় *সাল...

লালসালু উপন্যাস

এক নজরে কিছু জ্ঞানমূলক তথ্যাবলীঃ ★লালসালুর কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ ★ঝিম ধরা রেলগাড়ি সর্পিল গতিতে চলে ★মতিগঞ্জের উত্তরদিকে মহব্বতনগর গ্রাম ★মহব্বতনগর গ্রামের মাতব্বর রেহান আলী ★অশীতিপরায়ন বৃদ্ধ সলেমনের বাপ ★মজিদের বসবাস ছিলো গারো পাহাড়ে যা মধুপুর গড় হতে ৩ দিনের পথ ★রহিমা ঠান্ডা,ভীতু প্রকৃতির মানুষ ★গ্রামের লোকরা রহিমার অন্য সংস্করণ ★রহিমার চোখে ভয় দেখেছিলো মজিদ ★মজিদের শক্তির মূল উৎস সালুকাপড়ে আবৃত মাজারটি ★তাহের,কাদের ও রতনের বোন হাসুনির মা ★বিচারের শূরুতে মজিদ সূরা পড়ে নেয় ★ঝড় এলে হাসুনির মার হই চই করার অভ্যাস ★সকলকে মিঞা বলে সম্বোধন করে মজিদ ★মহব্বতনগর থেকে ৩ গ্রাম পরে আওয়ালপুর গ্রাম ★ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট মতলুব খা ★আওয়ালপুরে পীরের আগমন ঘটে মাঘ মাসের শেষ দিকে ★মজিদের মুরিদরা আহত হয়ে করিমগঞ্জ হাসপাতালে যায় ★পির সাহেব কে ইবলিশ শয়তান ঘোষণা করে মজিদ ★আওয়ালপুর ও মহব্বতনগর গ্রামের মাঝে এক মস্ত তেতুল গাছ ★আমেনা বিবি শুক্রবার রোজা রাখে ★আমেনা বিবি আড়াই পাক এর পরেই মূর্ছা যায় ★হাসুনির মায়ের নাম তহু ★আমেনা বিবি ঠান্ডা,শীতল,ধর্মভীরু মানুষ ★আমেনা বিবির স্বামীর বাড়ির ন...

বাংলা ১ম পত্রের গদ্য+ পদ্যের এমসিকিউ+গুরুত্বপূর্ন তথ্য

গদ্য-বিড়াল ১. বিড়াল একটি কাল্পনিক কথোপকথনমূলক গল্প ২. এ গল্পে ১ম অংশ নিখাদ হাস্যরসাত্মক, পরের অংশ গূঢ়ার্থে সন্নিহিত। ৩. বিড়ালের কথাগুলো-সোশিয়ালিস্টিক। ৪. বিড়াল প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্রের ভাষা ছিলো – শ্লেষাত্মক ৫. “বিড়াল ” গল্প অনুসারে বিড়ালদের রং – কালো ৬. কমলাকান্ত হুঁকা হাতে ঝিমাচ্ছিল – শয়নগৃহে, চারপায়ীর উপর বসে ৭. মিট মিট করে কেমন আলো জ্বলছিল – ক্ষুদ্র আলো ৮. “বিশেষ অপরিমিত লোভ ভাল নহে ” উক্তি টি- কমলাকান্তের। ৯. ‘দুধ মঙ্গলার, দুহিয়াছে প্রসন্ন ‘ উক্তিটি – কমলাকান্তের ১০. কমলাকান্তের জন্য রাখা নির্জল দুধ খেয়েছিল – একটি ক্ষুদ্র মার্জার ১১. বিড়াল মনে মনে হেসে কী বলল – “কেউ মরে বিল ছেচেঁ কেই খায় কই ” ১২. বিড়ালের উক্তি অনুযায়ী, বিল ছেঁচার সাথে সস্পর্কযুক্ত- কমলাকান্ত কই খাওয়ার সাথে সম্পর্কযুক্ত – বিড়াল ১৩. বিড়াল দুধ খেলেও কমলাকান্ত মার্জারের উপর রাগ করতে পারে নি – অধিকারের কারণে ১৪. বিড়াল দুধ খেলে বিড়ালকে তাড়িয়ে মারতে যাওয়া হল – চিরাগত প্রথা ১৫. চিরাগত প্রথা ভঙ্গ করলে কমলাকান্ত – মনুষ্যকূলে পরিচিত হবে – কুলাঙ্গার হিসেবে রিড়ালদের কাছে পরি...