Skip to main content

নিত্য প্রয়োজনীয় ইংলিশ বাক্য

কি আস্পর্ধা! - How dare !
কি দুঃখ! - What a pity!
কি বাজে বকো! - What nonsense!
কি বুদ্ধি! - What an idea!
কি ভীষণ/ কি ভয়ানক! - How terrible!
কি মিষ্টি! - How sweet!
কি লজ্জার কথা! - What a shame!
নিচে যাও - Go down.
নিশ্চয়ই! - Of course!
নেমে যাও/ নামো - Get down.
বলো - Speak.
এখনি যাও - Go at once.
এখান থেকে চলে যাও - Go away.
এখানে অপেক্ষা কর - Wait here.
এখানে থামো - Stop here.
এটাকে ভেঙো না - Don’t break it.
এদিকে এসো - Come here.
এদিকে দেখো - Look here.
ওরে বাবা! - Oh dear!
কখনই নয় - No, not at all.
কি লজ্জার কথা! - What a shame!
কি সুন্দর! - How lovely!
কেন হবেনা? / কেন নয়? - Why not?
খুব খুশির খবর! - How joyful!
খুব দুঃখের ব্যাপার! - How sad!
খুবই সুন্দর! - Excellent!
চুপ কর - Keep quiet.
চুপ করুন! - Quiet please/ please keep quiet!
ছিঃ খুব পরিতাপের বিষয়! - How disgraceful!
ছিঃ! - How disgusting!
ঠিক আছে - It’s all right.
ঠিক আছে - It’s fine.
ঠিকই তো! - Yes, it is!
তাই নাকি! - Is it so!
তাড়াতাড়ি কর/ চল! - Hurry up!

Comments

Popular posts from this blog

প্রতিবেদন লেখার নিয়ম

একটি সার্থক প্রতিবেদনের ০৬ টি অংশ হতে পারে । #প্রতিবেদনের শুরুতে সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন পরিচিতি থাকবে । #দ্বিতীয় প্যারাতে কল্পিত একটা দ্বিতীয় প্যারাতে কল্পিত একটা স্মারক নম্বর ব্যাবহার করা যেতে পারে এবং প্রতিবেদন রচনার কারণ ব্যাখ্যা করা যেতে পারে ।। #তৃতীয় প্যারাতে ঘটনার বিবরণ থাকবে । #চতুর্থ প্যারাতে ঘটনার কারণ উল্লেখ থাকবে । #পঞ্চম প্যারাতে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরণের ঘটনা আর না ঘটে সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ থাকবে । #ষষ্ঠ প্যারাতে প্রতিবেদক কী কী উপাত্ত ব্যাবহার করেছেন সে বিষয়ে একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি থাকবে , অর্থাত্ তথ্যসূত্র যুক্ত থাকবে । এই ধারাবাহিকতায় প্রতিবেদন রচনা করা গেলে একজন পরীক্ষক পরীক্ষার্থীকে ভালো নম্বর প্রদানে বাধ্য হবেন । পরীক্ষার উত্তরপত্রে একজন পরীক্ষক এ ধরনের প্রতিবেদন আশা করে ধরনের প্রতিবেদন আশা করে থাকেন । . নমুনা প্রতিবেদন :০১ . পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ'- এই শিরোনামে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বরাবর একটি প্রতিবেদন লেখো। . উত্তরঃ বরাবর সচিব মহোদয় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা। বিষয় : পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুর...

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:: ৬ষ্ট অধ্যায়

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ````````````````````````` '''''''''''''''''''''''' * ডাটাবেজ কি বা কাকে বলে? উত্তর: পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত কতগুলো ডাটার সমষ্টিকে Database বলে। . → DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System. . → RDBMS এর পূর্ণরূপ - Relational Database Management System. . ** DBMS কি বা কাকে বলে? উত্তর: DBMS হলো একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার। DBMS এর পূর্ণরূপ ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। DBMS দ্বারা ডাটাবেজ তৈরি করা, ডাটাবেজ পরিবর্তন করা, সংরক্ষণ করা, পরিচালনা করা, নিয়ন্ত্রণ করার কাজ করা সম্ভব। . ** ফিল্ড (Field) কি? উত্তর: রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশকে Field বলে। . * রেকর্ড (Record) কি? উত্তর: কতগুলো Field এর সমষ্টিকে রেকর্ড বলে। . ** ডাটাবেজের সুবিধা বা বৈশিষ্ট্য : → ডাটাবেজকে Assendung ও Decending করা যায়। → ডাটাবেজকে সর্টিং ও ইনডেক্সিং ভাবে সাজানো যায়। → সকল তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা যায়। → ডেটা নিরাপত্তা প্রদান করা সম্ভব। → কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা নিয়ন্ত্রণ কর...

মাসি পিসি

লেখক পরিচিতি নাম: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জন্ম:১৯০৮ সালের ১৯ মে জন্মস্থল : বিহারের সাওতাল পরগনার দুমকায় পৈতৃক নিবাস: ঢাকার বিক্রমপুরে পিতা : হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় মাতা: নীরদাসুন্দরী দেবী পিতৃপ্রদত্ত নাম: প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকনাম : মানিক চাকরিজীবন -৩ বছর প্রথম প্রকাশিত গল্প : অতসীমামী(১৯৩৫) প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস:জননী(১৯৩৫) উপন্যাস: জননী,দিবারাত্রির কাব্য, পদ্মানদীর মাঝি, পুতুলনাচের ইতিকথা,চিহ্ন ছোটগল্প: প্রাগৈতিহাসিক,সরীসৃপ,সমুদ্রের স্বাদ, টিকটিকি,হলুদ পোড়া, আজ কাল পরশুর গল্প, হারানের নাতজামাই মোট ৪০ টি উপন্যাস ও ৩০০ ছোটগল্প সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু : ১৯৫৬ সালের ৩ রা ডিসেম্বর মৃত্যুস্হল : কলকাতা রচনার উৎস *প্রথম প্রকাশিত হয় কলকাতার পূর্বাশা পত্রিকার ১৩৫২ বঙ্গাব্দের চৈত্র সংখ্যায়( ১৯৪৬ মার্চ -এপ্রিল) *দ্বিতীয় সংকলন পরিস্হিতি গল্পগ্রন্থ (১৯৪৬ অক্টোবর * বর্তমান পাঠ গ্রহন ঐতিহ্য প্রকাশিত মানিক - রচনাবলী পঞ্চম খন্ড থেকে * স্বামীর নির্মম অত্যাচারের শিকার পিতৃমাতৃহীন এক তরুণীর করুণ জীবনকাহিনী সংখ্যাবাচক তথ্য *সালতি দিয়ে তিনজনের মাথায় চড়ে খড় জমা হচ্ছে গাদায় *সাল...