Skip to main content

জীবন ও বৃক্ষ

জীবন ও বৃক্ষ
মোতাহের হোসেন চৌধুরি 

★জীবন ও বৃক্ষ গল্পটি 'সংস্কৃতির কথা' গ্রন্থ থেকে সংকলিত।এ গল্পে তিনি জীবনের সাথে বৃক্ষ কে তুলনা করে জীবনের মানে বুঝাতে চেয়েছেন।
'
★যদিও রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনকে নদীর সাথে তুলনা করেছেন।নদি অনেক বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে সাগরের বুকে পতিত হয়।তেমনি জীবনে অনেক বাধা বিপত্তি দুর করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
'
★কিন্তু মোতাহের চৌধুরী জীবনকে বৃক্ষের সাথে তুলনা করেছেন কারণ,
বৃক্ষ রস টেনে মাটি থেকে নিজেকে বড় & মোটাসোটা করে তুলেন।তারপর তাকে ফুল ফুটাতে হয়,ফল ধরাতে হয়।তারপর সেই সাধনার ফল অন্যকে দান করে স্বাথকতার উজ্জল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।আর এটাই তার প্রাপ্তি।তেমনি,
-মানুষকে সকল বাধা বিপত্তি দুর করে বড় হয়ে মানবতার কল্যাণে নিজেকে সপে দিতে হবে।তাই তিনি নদী কে নয় বৃক্ষ কে বেচে নিয়েছেন।
'
★তাছাড়া নদী সাগরে পতিত হয় এটা তার প্রাপ্তি নয় আত্মবিসর্জন।
★আরেকটা কথা হলো নদী আমাদের আশেপাশে খুব সহজে দেখা যায়না কিন্তু,
-বৃক্ষ খুব সহজেই দেখা যায়। তাই খুব সহজেই বৃক্ষ থেকে শিক্ষা গ্রহন করা যায়।
>>তাই মোতাহের চৌধুরি নদীর বদলে বৃক্ষ কে বেচে নিয়েছেন।
'
"
★তাই তিনি বৃক্ষের দিকে তাকিয়ে জীবনের তাৎপর্য উপলব্দি করতে চেয়েছেন & বলেছেন।
'
'
'
'
★গুরুত্বপুর্ণ তথ্য:-
-------------------------
১. স্বল্পপ্রাণ, স্থূলবুদ্ধি, জবরদস্তিপ্রিয় মানুষের দেবতা - অহংকার
২. জীবনের তাৎপর্য উপলব্ধি সহজ হয় - বৃক্ষের দিকে তাকালে
৩. রবীন্দ্রনাথেরর মনে মমনুষ্যত্বেরর বেদনা উপলব্ধি হয়- নদীর গতিতে
৪. তপোবন প্রেমিক কে- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫. গোপন ও নিরব সাধনা অভিব্যক্ত হয় - বৃক্ষে
৬. দোরের কাছে দাঁড়িয়ে থেকে অনবরত নতি, শান্তি ও সেবার বাণী প্রচার করে কে - বৃক্ষ
৭. "ত্রই তো সাধনার সার্থকতা " উক্তিটি - মোতাহের হোসেন চৌধুরীর
৮. সাধনার ব্যাপারে কি বড় জিনিস - প্রাপ্তি
৯. রবীন্দ্রনাথ অন্তরের সৃষ্টিকর্ম উপলব্ধি করেছেন - বৃক্ষের পানে তাকিয়ে
১০. বৃক্ষ আমাদের স্বার্থকতার গান শোনায় - নীরব ভাষায়
১১. প্রকৃতির ধর্ম কীসের মত- মানুষের ধর্মের মত
১২. তরুলতা ও জীব জন্তুর বৃদ্ধির উপর কাদের হাত নেই - মানুষের
১৩. মানুষের বৃদ্ধির উপর হাত রয়েছে - প্রকৃতির
১৪. মানুষের বৃদ্ধি কেমন- দৈহিক ও আত্মিক
১৫. মানুষের শিক্ষার প্রধান বিষয়বস্তু - সাধনা
১৬. শিক্ষার প্রধান বিষয়বস্তু হতে পারে না - বস্তু জিঙ্গাসা তথা

Comments

  1. জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধে কয় ধরণের অহংকারের কথা বলা হয়েছে?

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular posts from this blog

মাসি পিসি

লেখক পরিচিতি নাম: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জন্ম:১৯০৮ সালের ১৯ মে জন্মস্থল : বিহারের সাওতাল পরগনার দুমকায় পৈতৃক নিবাস: ঢাকার বিক্রমপুরে পিতা : হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় মাতা: নীরদাসুন্দরী দেবী পিতৃপ্রদত্ত নাম: প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকনাম : মানিক চাকরিজীবন -৩ বছর প্রথম প্রকাশিত গল্প : অতসীমামী(১৯৩৫) প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস:জননী(১৯৩৫) উপন্যাস: জননী,দিবারাত্রির কাব্য, পদ্মানদীর মাঝি, পুতুলনাচের ইতিকথা,চিহ্ন ছোটগল্প: প্রাগৈতিহাসিক,সরীসৃপ,সমুদ্রের স্বাদ, টিকটিকি,হলুদ পোড়া, আজ কাল পরশুর গল্প, হারানের নাতজামাই মোট ৪০ টি উপন্যাস ও ৩০০ ছোটগল্প সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু : ১৯৫৬ সালের ৩ রা ডিসেম্বর মৃত্যুস্হল : কলকাতা রচনার উৎস *প্রথম প্রকাশিত হয় কলকাতার পূর্বাশা পত্রিকার ১৩৫২ বঙ্গাব্দের চৈত্র সংখ্যায়( ১৯৪৬ মার্চ -এপ্রিল) *দ্বিতীয় সংকলন পরিস্হিতি গল্পগ্রন্থ (১৯৪৬ অক্টোবর * বর্তমান পাঠ গ্রহন ঐতিহ্য প্রকাশিত মানিক - রচনাবলী পঞ্চম খন্ড থেকে * স্বামীর নির্মম অত্যাচারের শিকার পিতৃমাতৃহীন এক তরুণীর করুণ জীবনকাহিনী সংখ্যাবাচক তথ্য *সালতি দিয়ে তিনজনের মাথায় চড়ে খড় জমা হচ্ছে গাদায় *সাল...

লালসালু উপন্যাস

এক নজরে কিছু জ্ঞানমূলক তথ্যাবলীঃ ★লালসালুর কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ ★ঝিম ধরা রেলগাড়ি সর্পিল গতিতে চলে ★মতিগঞ্জের উত্তরদিকে মহব্বতনগর গ্রাম ★মহব্বতনগর গ্রামের মাতব্বর রেহান আলী ★অশীতিপরায়ন বৃদ্ধ সলেমনের বাপ ★মজিদের বসবাস ছিলো গারো পাহাড়ে যা মধুপুর গড় হতে ৩ দিনের পথ ★রহিমা ঠান্ডা,ভীতু প্রকৃতির মানুষ ★গ্রামের লোকরা রহিমার অন্য সংস্করণ ★রহিমার চোখে ভয় দেখেছিলো মজিদ ★মজিদের শক্তির মূল উৎস সালুকাপড়ে আবৃত মাজারটি ★তাহের,কাদের ও রতনের বোন হাসুনির মা ★বিচারের শূরুতে মজিদ সূরা পড়ে নেয় ★ঝড় এলে হাসুনির মার হই চই করার অভ্যাস ★সকলকে মিঞা বলে সম্বোধন করে মজিদ ★মহব্বতনগর থেকে ৩ গ্রাম পরে আওয়ালপুর গ্রাম ★ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট মতলুব খা ★আওয়ালপুরে পীরের আগমন ঘটে মাঘ মাসের শেষ দিকে ★মজিদের মুরিদরা আহত হয়ে করিমগঞ্জ হাসপাতালে যায় ★পির সাহেব কে ইবলিশ শয়তান ঘোষণা করে মজিদ ★আওয়ালপুর ও মহব্বতনগর গ্রামের মাঝে এক মস্ত তেতুল গাছ ★আমেনা বিবি শুক্রবার রোজা রাখে ★আমেনা বিবি আড়াই পাক এর পরেই মূর্ছা যায় ★হাসুনির মায়ের নাম তহু ★আমেনা বিবি ঠান্ডা,শীতল,ধর্মভীরু মানুষ ★আমেনা বিবির স্বামীর বাড়ির ন...

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:: ৬ষ্ট অধ্যায়

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ````````````````````````` '''''''''''''''''''''''' * ডাটাবেজ কি বা কাকে বলে? উত্তর: পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত কতগুলো ডাটার সমষ্টিকে Database বলে। . → DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System. . → RDBMS এর পূর্ণরূপ - Relational Database Management System. . ** DBMS কি বা কাকে বলে? উত্তর: DBMS হলো একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার। DBMS এর পূর্ণরূপ ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। DBMS দ্বারা ডাটাবেজ তৈরি করা, ডাটাবেজ পরিবর্তন করা, সংরক্ষণ করা, পরিচালনা করা, নিয়ন্ত্রণ করার কাজ করা সম্ভব। . ** ফিল্ড (Field) কি? উত্তর: রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশকে Field বলে। . * রেকর্ড (Record) কি? উত্তর: কতগুলো Field এর সমষ্টিকে রেকর্ড বলে। . ** ডাটাবেজের সুবিধা বা বৈশিষ্ট্য : → ডাটাবেজকে Assendung ও Decending করা যায়। → ডাটাবেজকে সর্টিং ও ইনডেক্সিং ভাবে সাজানো যায়। → সকল তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা যায়। → ডেটা নিরাপত্তা প্রদান করা সম্ভব। → কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা নিয়ন্ত্রণ কর...