Skip to main content

রক্তে_আমার_অনাদি_অস্থি


##লেখক_পরিচিতি##
*নাম: দিলওয়ার
*জন্ম: ১৯৩৭ সালের ১লা জানুয়ারি
*জন্মস্থান: সিলেটের সুরমা নদীর দক্ষিণ তীরবর্তী ভার্থখলা গ্রাম
*পুরো নাম: দিলওয়ার খান
*পিতা: মৌলভী মোহাম্মদ হাসান খান
*মাতা: রহিমুন্নেসা
*১ম কাব্য: জিজ্ঞাসা (১৯৫৩)
*কাব্য সংকলন: ঐকতান, দুই মেরু দুই ডানা, সপৃথিবী রইবো সজীব, রক্তে আমার অনাদি অস্থি, স্বনিষ্ঠ সনেট
*প্রবন্ধ সংকলন: বাংলাদেশ জন্ম না নিলে
*ছড়া গ্রন্থ: দিলওয়ারের শত ছড়া, ছড়ায় অ আ ক খ
*সাহিত্য পুরস্কার: বাংলা একাডেমী পুরস্কার, একুশে পদক
*মৃত্যু: ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর
*পেশা: ২ মাস শিক্ষকতা,
১৯৬৭- 'দৈনিক সংবাদ' পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক
১৯৭৩_৭৪-' দৈনিক গনকন্ঠ' পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক
*কবিতার মূল সুর-দেশ, মাটি, মানুষের আস্থা ও দায়বদ্ধতা
*মূলত সার্বক্ষণিক কবি-লেখক, ছড়াকার
##কবিতার_উৎস##
*রক্তে আমার অনাদি অস্থি কবিতাটি কবির একই নাম কাব্যের নাম কবিতা
*১৯৮১ সালে সিলেটে ১ম প্রকাশিত
*কবিতাটি কবীর চৌধুরীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গিত
*কবিতায় কবি সাগর দুহিতা ও নদী মাতৃক বাংলাদেশের বন্দনা করেছেন
*ছন্দ-৬ মাত্রার মাত্রাবৃত্ত
*মাত্রা বিন্যাস-৬+৬
*পূর্ন মাত্রা-৬
*অপূর্ণ মাত্রা-২
##সংখ্যাবাচক_তথ্য##
*মোট লাইন -২৪টি
*নদীর নাম-৬টি
*পদ্মা নদীর নাম-৩বার
*যমুনা নদীর নাম-৩বার
*সুরমা নদীর নাম-৩বার
##গুরুত্বপূর্ণ_তথ্য##
*পদ্মার কাছে প্রত্যাশা-যৌবন
*গনমানবের তুলিতে কবি এঁকেছেন- গণমানুষের ছবি
*কবি গণমানুষের ছবি এঁকেছেন - নদীর বুকে
*যমুনার কাছে প্রত্যাশা- প্রেম
*সুরমা নদীর কাজল বুকের পলিতে রয়েছে-গলিত হেম
*বহমান নদীর বাঁকে বাঁকে পাতা রয়েছে- মৃত্যুর ফাঁদ
*কবি স্বপ্ন রেখেছেন- বঙ্গোপসাগরে
*কবির ক্রোধ-ভয়াল ঘূর্ণির ন্যায়
*প্রাণের জাহাজ বোঝাই আছে-নরদানবের মুখে

Comments

Popular posts from this blog

মাসি পিসি

লেখক পরিচিতি নাম: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জন্ম:১৯০৮ সালের ১৯ মে জন্মস্থল : বিহারের সাওতাল পরগনার দুমকায় পৈতৃক নিবাস: ঢাকার বিক্রমপুরে পিতা : হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় মাতা: নীরদাসুন্দরী দেবী পিতৃপ্রদত্ত নাম: প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকনাম : মানিক চাকরিজীবন -৩ বছর প্রথম প্রকাশিত গল্প : অতসীমামী(১৯৩৫) প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস:জননী(১৯৩৫) উপন্যাস: জননী,দিবারাত্রির কাব্য, পদ্মানদীর মাঝি, পুতুলনাচের ইতিকথা,চিহ্ন ছোটগল্প: প্রাগৈতিহাসিক,সরীসৃপ,সমুদ্রের স্বাদ, টিকটিকি,হলুদ পোড়া, আজ কাল পরশুর গল্প, হারানের নাতজামাই মোট ৪০ টি উপন্যাস ও ৩০০ ছোটগল্প সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু : ১৯৫৬ সালের ৩ রা ডিসেম্বর মৃত্যুস্হল : কলকাতা রচনার উৎস *প্রথম প্রকাশিত হয় কলকাতার পূর্বাশা পত্রিকার ১৩৫২ বঙ্গাব্দের চৈত্র সংখ্যায়( ১৯৪৬ মার্চ -এপ্রিল) *দ্বিতীয় সংকলন পরিস্হিতি গল্পগ্রন্থ (১৯৪৬ অক্টোবর * বর্তমান পাঠ গ্রহন ঐতিহ্য প্রকাশিত মানিক - রচনাবলী পঞ্চম খন্ড থেকে * স্বামীর নির্মম অত্যাচারের শিকার পিতৃমাতৃহীন এক তরুণীর করুণ জীবনকাহিনী সংখ্যাবাচক তথ্য *সালতি দিয়ে তিনজনের মাথায় চড়ে খড় জমা হচ্ছে গাদায় *সাল...

লালসালু উপন্যাস

এক নজরে কিছু জ্ঞানমূলক তথ্যাবলীঃ ★লালসালুর কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ ★ঝিম ধরা রেলগাড়ি সর্পিল গতিতে চলে ★মতিগঞ্জের উত্তরদিকে মহব্বতনগর গ্রাম ★মহব্বতনগর গ্রামের মাতব্বর রেহান আলী ★অশীতিপরায়ন বৃদ্ধ সলেমনের বাপ ★মজিদের বসবাস ছিলো গারো পাহাড়ে যা মধুপুর গড় হতে ৩ দিনের পথ ★রহিমা ঠান্ডা,ভীতু প্রকৃতির মানুষ ★গ্রামের লোকরা রহিমার অন্য সংস্করণ ★রহিমার চোখে ভয় দেখেছিলো মজিদ ★মজিদের শক্তির মূল উৎস সালুকাপড়ে আবৃত মাজারটি ★তাহের,কাদের ও রতনের বোন হাসুনির মা ★বিচারের শূরুতে মজিদ সূরা পড়ে নেয় ★ঝড় এলে হাসুনির মার হই চই করার অভ্যাস ★সকলকে মিঞা বলে সম্বোধন করে মজিদ ★মহব্বতনগর থেকে ৩ গ্রাম পরে আওয়ালপুর গ্রাম ★ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট মতলুব খা ★আওয়ালপুরে পীরের আগমন ঘটে মাঘ মাসের শেষ দিকে ★মজিদের মুরিদরা আহত হয়ে করিমগঞ্জ হাসপাতালে যায় ★পির সাহেব কে ইবলিশ শয়তান ঘোষণা করে মজিদ ★আওয়ালপুর ও মহব্বতনগর গ্রামের মাঝে এক মস্ত তেতুল গাছ ★আমেনা বিবি শুক্রবার রোজা রাখে ★আমেনা বিবি আড়াই পাক এর পরেই মূর্ছা যায় ★হাসুনির মায়ের নাম তহু ★আমেনা বিবি ঠান্ডা,শীতল,ধর্মভীরু মানুষ ★আমেনা বিবির স্বামীর বাড়ির ন...

বাংলা ১ম পত্রের গদ্য+ পদ্যের এমসিকিউ+গুরুত্বপূর্ন তথ্য

গদ্য-বিড়াল ১. বিড়াল একটি কাল্পনিক কথোপকথনমূলক গল্প ২. এ গল্পে ১ম অংশ নিখাদ হাস্যরসাত্মক, পরের অংশ গূঢ়ার্থে সন্নিহিত। ৩. বিড়ালের কথাগুলো-সোশিয়ালিস্টিক। ৪. বিড়াল প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্রের ভাষা ছিলো – শ্লেষাত্মক ৫. “বিড়াল ” গল্প অনুসারে বিড়ালদের রং – কালো ৬. কমলাকান্ত হুঁকা হাতে ঝিমাচ্ছিল – শয়নগৃহে, চারপায়ীর উপর বসে ৭. মিট মিট করে কেমন আলো জ্বলছিল – ক্ষুদ্র আলো ৮. “বিশেষ অপরিমিত লোভ ভাল নহে ” উক্তি টি- কমলাকান্তের। ৯. ‘দুধ মঙ্গলার, দুহিয়াছে প্রসন্ন ‘ উক্তিটি – কমলাকান্তের ১০. কমলাকান্তের জন্য রাখা নির্জল দুধ খেয়েছিল – একটি ক্ষুদ্র মার্জার ১১. বিড়াল মনে মনে হেসে কী বলল – “কেউ মরে বিল ছেচেঁ কেই খায় কই ” ১২. বিড়ালের উক্তি অনুযায়ী, বিল ছেঁচার সাথে সস্পর্কযুক্ত- কমলাকান্ত কই খাওয়ার সাথে সম্পর্কযুক্ত – বিড়াল ১৩. বিড়াল দুধ খেলেও কমলাকান্ত মার্জারের উপর রাগ করতে পারে নি – অধিকারের কারণে ১৪. বিড়াল দুধ খেলে বিড়ালকে তাড়িয়ে মারতে যাওয়া হল – চিরাগত প্রথা ১৫. চিরাগত প্রথা ভঙ্গ করলে কমলাকান্ত – মনুষ্যকূলে পরিচিত হবে – কুলাঙ্গার হিসেবে রিড়ালদের কাছে পরি...